Thursday, October 1, 2015

পি এল সি টিউটোরিয়াল ১

প্রোগ্রামাবল লজিক কন্ট্রোলার এর সংক্ষিপ্ত নাম হল পিএলসি (PLC)। পিএলসি একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসড ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস । যার মাধ্যমে যেকোন ধরেনের যন্ত্র কে স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড করা যায়। একে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর বিকল্প হিসাবেও ব্যাবহার করা যায়।
বাজারে বিভিন্ন্ ধরনের ও ব্যান্ডের পি এল সি পাওয়া যায়। সিমেন্স, অম্রন, মিতসুবিশি এদের মধ্যে অন্যতম বা আমাদের দেশে বহুল ব্যাবরিত।
পিএল সি রাসায়নিক শিল্পকারখানা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, হোম অটোমেশন, অটোম্যাটেড শিল্পকারখানাতে ব্যবহার করা হয়। 




পি এল সি এর গঠনঃ
আপনি হয়তো এরই মধ্যে জেনে গেছেন পি এল সি একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বেইসড ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস। সুতরাং মাইক্রোকন্ট্রোলার এর মত এর মধ্যে যে অংশ গুলো থাকে তা হল।
১। ইনপুট বা আউটপুট ইউনিট
২। সেন্ট্রাল প্রসেসসিং ইউনিট (CPU)
৩। পাওয়ার সুপ্লাই ইউনিট

আপনার হাতের মোবাইল বা স্মারটফোন সেখানও এই টিনটা অংশ আছে । তাই নতুন করে আলোচনায় গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
সব সময় মনে রাখবেন "প্রথমে প্রাক্টিক্যাল পরে থিওরি" আমরা যদি প্রথমে বিশাল বিশাল থিওরি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করি অনেক ভয় পেয়ে যেতে পারেন। মনে হতে পারে "পি এল সি" আসলে অনেক কঠিন। এটা একেবারেই ভুল ধারনা  "পি এল সি" বিসয়টি অনেক সহজ জিনিস। আমরা ধিরে ধিরে শিখবো। কঠিন বা থিওরি বিসয় গুলি পরে আলোচনা করব এবং শিখব। পিএলসি কে কঠিন করে আপনার সামনে উপস্থাপন না করলে অনেক ধান্দাবাজ দের ইঙ্কামের রাস্তা বন্দ হয়ে যাবে। তাই তারা সহজ জিনিস কে কঠিন করে দেখায়। আসলে তা মোটেও ঠিক নয়।   

আসল কথায় আসা যাক। মনে রাখবেন "পি এল সি" এর দুইটা পার্ট আছে।
১। হার্ডওয়্যার - এখানে আপনার করনীয় বা শিক্ষনিও হল, এটি কিছু ইলেক্ট্রনিক্স পার্টস এর সম্পন্নয়ে গঠিত। উক্ত পার্টস কোন কারনে নষ্ট হয়ে "পিএলসি" কাজ না চাইলে আপনি এই অংশটি রিপিয়ারিং করতে পারবেন।
২। সফটওয়্যার- আমরা একে প্রোগ্রামিং বলে থাকি। পি এল সি কে প্রোগ্রামিং করার এক ধরনে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যাবহার করা হয়। একেক কোম্পানির পিএলসি এর জন্য একেক ধরনের সফটওয়্যার থাকে। সফটওয়্যার একাধিক হলেও, আমরা প্রোগ্রামিং জন্য "ল্যাডার লজিক" ব্যাবহার করে থাকি।
সুতারাং আপনি বুঝে গেছেন আমাদেরকে "ল্যাডার লজিক" ভাল ভাবে শিখতে হবে। আপনি যদি ল্যাডার লজিক এর মাধ্যমে প্রোগ্রাম তইরি করতে পারেন তাহলে আপনার তৈরিকৃত প্রোগ্রাম যে কোন পিএলসি তে ব্যাবহার করা যাবে সামান্য কিছু পরিবত্তন করে। সুতারাং যেকোনো একটিকে ভাল ভাবে আয়েত্ত করাই হোল আপনার কাজ। দেরি নয় চলুন আমরা "ল্যাডার লজিক" এর ব্যাবহার শিখতে সুরু করি।            
  

2 comments:

  1. This comment has been removed by the author.

    ReplyDelete
  2. আপনে ভাল একটি উদ্যোগ নিয়েছেন। কিছু বানান ভুল আছে আমি যদি এগুলো পয়েন্ট আকারে লেখে দেই তাহলে বাকি সবাই এর জন্য সুবিধা হবে পড়তে।

    ১) লজিক
    ২) ব্রান্ডের
    ৩) সাপ্লাই
    ৪) স্মার্টফোন
    ৫) তিনটা
    ৬) প্র্যাক্টিক্যাল
    ৭) সম্পূর্ণ
    ৮) বিষয়
    ৯) ইনকামের
    ১০) বন্ধ
    ১১) সমন্বয়ে
    ১২) তৈরি
    ১৩) পরিবর্তন
    ১৪) আয়ত্ত
    ১৫) হল
    ১৬) জানতে

    ReplyDelete