Sunday, November 1, 2015

পি এল সি (Programmable Logic Controller) টিউটোরিয়াল ৮

ল্যাডার লজিক (Ladder Programming) কাউন্টার 

পি এল সি এবং মাইক্রোকন্ট্রোলারে টাইমারের পর "কাউন্টার" একটি জনপ্রিয় নাম।
ল্যাডার লজিকে যে সিম্বলের মাধ্যমে আমরা পি, এল, সি এর বিভিন্ন পালস বা ইন্সট্রাকশন গুলো গুনতে পারব তা কাউন্টার নামে পরিচিত।
চলুন, আমরা কাউন্টার দিয়ে তৈরি একটি প্রোগ্রাম দেখি। টাইমারের মত ল্যাডার লজিকে অনেক ধরনের কাউন্টার আমরা দেখতে পাব । আশাকরি ধাপে ধাপে সব আলোচনা করব।


উপরের খুবই ছোট একটি প্রোগ্রাম লেখা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় লাইনে একটি টাইমার সার্কিট ডিজাইন করা হয়েছে।  কারও বুঝতে অসুবিধা হলে পুরবের আর্টিকেল গুলো দয়া করে মনোযোগের সাথে পড়বেন।
একই ভাবে I1, I2 এখানে Start & Stop সুইচ। Q1 অউটপুট।
তৃতীয় লাইনে পুনরায় Q1 কে কল করে তার সাথে কাউন্টার (C002) কে যুক্ত করা হয়েছে।  কারন, Q1 কত বার জ্বলবে তা (C002) গুনবে। I2 ব্যাবহার করা হয়েছে কাউন্টার (C002) কে রিসেট করার জন্য।
অর্থাৎ প্রয়োজনে কাউন্টারে জমা করা ভ্যালুকে রিসেট করে পুনরায় ব্যাবহার উপযোগী করা।         

পি এল সি (Programmable Logic Controller) টিউটোরিয়াল ৭

ল্যাডার লজিক (Ladder Programming) টিউটোরিয়ালঃ 

আমরা আস্তে আস্তে বড় আকারের প্রোগ্রামের দিকে এগুচ্ছি। এবার যে প্রোগ্রামটি তৈরি করব উদ্দশ্য একটি মোটরকে ৫ সেকেন্ড ফরোয়ার্ডে ঘুরাবে এবং ৩ সেকেন্ড বন্ধ রাখবো। এরপর আবার ৫ সেকেন্ড রিভার্সে ঘুরাব।
পুরবের মতই I1, I2 যথাক্রমে Start Stop সুইচ। Q1, Q2 …….. এগুলো আউটপুট। এবং M1, M2...... ইত্যাদি হল মেমোরি কয়েল। কথা না বাড়িয়ে চলুন প্রোগ্রামটি দেখা যাক।
“ব্লক দিয়ে আটকানো কন্টাক গুলো নিয়ে আমরা সবার শেষে আলোচনা করব, বুঝার সুবিধার জন্য। আপনি মনে করবেন ব্লকে আটকানো কন্টাক গুলো নেই।“ 

১।। যখন উপরের I1 সুইচ কে প্রেস করা হবে তখন M1 মেমোরি কয়েল চালু হবে বা অন হবে। M1 কে দিয়ে ১ম নেটওয়ার্কটিকে ল্যাচিং করে রাখার কারনে M1 সব সময় অন অবস্থায় থাকবে।
২।। লক্ষ করুন, ২য় লাইনে আবার M1 কে কল করা হয়েছে। এর কারন, M1 চালু হওয়ার সাথে সাথে Q1 যাতে স্বয়ংক্রিয় ভাবে চালু হয়।
৩।। তৃতীয় নেটওয়ার্কে Q1 কে কল করে একটি টাইমার T001 এর সাথে যুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এর উদ্দশ্য, আমি Q1 কে ৫ সেকেন্ড পর বন্ধ করে দিতে চাই। তাই, TOO1 এর প্রিসেট ভ্যালু দেয়া হয়েছে ৫ সেকেন্ড।
৪।। চতুর্থ লাইনে T001 নামে একটি ওপেন কন্টাক্ট নেয়া হয়েছে। এর উদ্দশ্য ৫ সেকেন্ড পর T001 টাইমার যখন বন্ধ হবে সাথে সাথে T001 নামের ওপেন কন্টাক্ট টি সাথে সাথে ক্লোজ হয়ে মেমোরি কয়েল M2 কে চালু করে দিবে।
ল্যাচিং করা হয়েছে M2 কে জালিয়ে রাখার জন্য।
৫।। পঞ্চম লাইনে লক্ষ করুন M2 নামের একটি ওপেন কন্টাক নিয়ে T002 নামের টাইমারের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে। T002 এর প্রিসেট ভ্যালু দেয়া হয়েছে ৩ সেকেন্ড।
৬।। ষষ্ঠ লাইনে টাইমার
T002 কে কল করে Q2 নামের অউটপুটের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে। সাথে সাথে Q2 কে ল্যাচিং করা হয়েছে।
৭।। সপ্তম লাইনে Q2 কে কল করে T003 টাইমারের এর সাথে জুক্ত করা হয়েছে। টাইমারের প্রিসেট ভ্যালু দেয়া হয়েছে ৫ সেকেন্ড। অর্থাৎ মোটরটি ৫ সেকেন্ড রিভার্সে ঘুরবে।
৮।। অষ্টম লাইনে টাইমার T003 কে কল করা হয়েছে। T002 টাইমার যখন বন্ধ হবে M3 মেমোরি কয়েল তখন চালু হবে। নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত জালিয়ে রাখার জন্য M3 কে দিয়ে ল্যাচিং করা হয়েছে।

৯।। নবম লাইনে M3 কে কল করে তার সাথে T004 নামের একটি টাইমার যুক্ত করা হয়েছে। টাইমারের প্রিসেট ভ্যালু দেয়া হয়েছে ৩ সেকেন্ড (মোটরটিকে ৩ সেকেন্ড বন্ধ রাখার জন্য)     


# M3, M2, Q2 কন্টাক ২য় লাইনে Q1 এর সাথে সংযুক্ত করার কারন হল, এদের কোন একটি Active থাকলে Q1 অফ হয়ে যাবে।
# Q2 কে চতুর্থ লাইনে M2 এর সাথে যুক্ত করার উদ্দশ্য হল। যখন Q2 অউটপুট টি অন হবে তখন, M2 বন্ধ থাকবে। 

Monday, October 5, 2015

পি এল সি (Programmable Logic Controller) টিউটোরিয়াল ৬

ল্যাডার লজিক (Ladder Programming) টিউটোরিয়ালঃ  
আমরা পি এল সি এর মাধ্যমে একটি লাইট কে একবার জ্বালাবো এবং নিভাব । অর্থাৎ এমন একটি প্রোগ্রাম লিখবো যার অউটপুট হবে ১ টি সেখানে সংযুক্ত লাইট বা অন্য কিছু ৩ সেকেন্ড জলে থাকবে ও ২ সেকেন্ড অফ থাকবে।

প্রোজেক্টঃ
আমাদের প্রোজেক্টে একটি মাত্র অউটপুট থাকবে Q1, ইনপুট সুইচ হিসাবে ব্যাবহার করব I1 এবং ইমারজেন্সি সুইচ হাসাবে থাকবে I2। তাহলে সুরু করা যাক। পুরবের মত LOGO!Soft Comfort সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। 


চিত্রের মত করে I1, I2 এবং রিলে কয়েল Q1 নিন অউটপুট হিসাবে। Q1 দিয়ে ল্যাচিং করুন, Q1 কে জালিয়ে রাখার জন্য। আপনার উদ্দশ্য Q1 কে ৩ সেকেন্ড জালিয়ে রাখা। সুতারাং একটি অন-ডিলে টাইমার নিন। তার প্রিসেট ভ্যালু দিন ৩ সেকেন্ড। এবার Q1 কে কল করুন এবং টাইমারের সাথে কানেক্ট করুন। এখন সিমুলেট করে দেখতে পারেন Q1 অউটপুট ৩ সেকেন্ড পর অফ হয়ে যাবে। 
   
 এবার টাইমার T001 কে কল করা হয়েছে। তার পর ইমারজেন্সি সুইচ I2 কে বসানো হয়েছে। অউটপুট হিসাবে M1 ব্যাবহার করা হয়েছে। মনে করবেন M1 একটি কাল্পনিক অউটপুট। কাল্পনিক অউটপুট যখন অন হবে। Q1 অউটপুট তখন অফ থাকবে। আবার Q1 যখন অন হবে, কাল্পনিক অউটপুট M1 তখন অফ থাকবে। 
কিন্তু উপরের প্রোগ্রাম কে সিমুলেট করলে দেখতে পাবেন প্রথম ৩ সেকেন্ড Q1 জ্বলবে, কিন্তু Q1 বন্ধ না হয়েই M1 জলা সুরু করবে এবং ৩ সেকেন্ড পর্যন্ত জ্বলবে। এর কারন উপরের প্রোগ্রামে যে বিসয় টি সেট করা হয় নি তা নিচে দেয়া হোল। 
 লক্ষ করলে দেখবেন T001 এবং T002 নামক দুইটা কন্টাক অউটপুট এর পাশে ব্যাবহার করা হয়েছে। কারন, রিসেট করার জন্য। অর্থাৎ বলা হয়েছে M1 যখন জ্বলবে Q1 তখন অফ থাকবে। 
আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়। T002 দিয়ে Q1 কে ল্যাচিং করা হয়েছে। কারন, টাইমার T002 যখন বন্ধ হবে Q1 যেন তখনি আবার চালু হয়ে যায়। 
প্রোগ্রামটি লিখে সিমুলেট করে দেখার অনুরধ রইল......    

Friday, October 2, 2015

পি এল সি (PLC) টিউটোরিয়াল ৫

ল্যাডার প্রোগ্রামিং (Ladder Programming) টাইমারঃ
টাইমার ইলেকট্রনিক্স জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইলেকট্রনিক্স সার্কিট, মাইক্রোকন্ট্রোলার, পিএলসি সব জায়গাতেই টাইমারের ব্যাবহার। সময় গননা করা বা প্রোগ্রামিং এর মাদ্ধমে টাইম কাউন্ট করাকে টাইমার বলে।
লোগো পিএলসি তে বিভিন্ন ধরনের টাইমার ব্যাবহার করা হয়। অন-ডিলে টাইমার, অফ-ডিলে টাইমার, ইয়ারলি টাইমার, উইক্লি টাইমার, ইত্যাদি। আমরা ধাপে ধাপে সব গুল টাইমারের ব্যাবহার শিখবো।
আমরা তাহলে টাইমার দিয়ে কাজ সুরু করি, আমরা একটি লাইট জালাতে চাই ১০ মিনিট পর্যন্ত। অর্থার আমাদের প্রোগ্রামে I1, I2, নামে দুইটা সুইচ থাকে। Q1 নামে একটা অউটপুট থাকবে।
যখন I1 কে প্রেস করব Q1 জলে উঠবে। ১০ সেকেন্ড পরে অটোমেটিক্যালি Q1 এর পাওয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। আসুন সুরু করা যাক। 
উপরে পিএলসি এর ওয়ারিং ডায়াগ্রাম সহ ল্যাডার লজিক প্রোগ্রামিং দেয়া হোল। এখানে I1, I2 কে সুইচ হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে। I1 নরমাল অন/অফ সুইচ, I2 ইমারজেন্সি সুইচ এবং Q1 অউটপুট। 

পরের লাইনে Q1 কে কল করা হয়েছে টাইমারের সাথে কাজ করার জন্য। 
I1 প্রেস করার সাথে সাথে Q1 কন্টাক পাবে। সাথে সাথে Q1 নামের যত গুলি কন্টাক আছে সব গুলি অন হবে। সুতরাং T001 টাইম কাউন্ট করা সুরু করবে ১০ সেকেন্ট পরে T001 অন হবে। কারন, এটি অন-ডিলে টাইমার। T001 টাইমার অন হওয়ার সাথে সাথে প্রথম লাইনে থাকে T001 নামের ক্লোস কন্টাকটি ওপেন-কন্টাক হয়ে যাবে সাথে সাথে Q1 এ ভোল্টেজ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। 
I2 যেহেতু ইমারজেন্সি সুইচ তাই কোন রকম দুর্ঘটনা বা প্রয়োজনীয় মুহূর্তে এই সুইচ এর মাধ্যমে পিএলসি (PLC) কে বন্ধ করা যাবে।    
উপরের ল্যাডার কজিক ভাল ভাবে বোঝার জন্য নিচের ছবিতে বর্ণনা দেয়া হোল। 


আশা করি এই পর্যন্ত বুঝতে কোন সমস্যা হবে না। কথাও বুঝতে অসুবিধা হলে প্রশ্ন করতে ভুলবেন না। 
ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।   

Thursday, October 1, 2015

পি এল সি (PLC) প্রোগ্রামিং ৪

ল্যাডার লজিক প্রোগ্রামিংঃ
ইতিপূর্বে আমরা Ladder Logic এর বেসিক দেখেছি। অর্থাৎ ল্যাডার লজিক দিয়ে কিভাবে কাজ করা যায়। আমরা একটু বাস্তব মুখি প্রোগ্রামের দিকে যাব। 
উধারন হিসাবে ধরুন, আপনার বেডরুমে একটা সিলিং ফ্যান আছে যাকে আপনি পিএলসি দিয়ে কল্ট্রোল করতে চাচ্ছেন। আপনি এক কথায় উত্তর দিবেন যে আমি পারব। কারন, পুরবেই তো আমরা একটি বাতি জালানো ও নেভানোর প্রোগ্রাম করা শিখলাম। এটা সত্যা কথা। কিন্তু ওই প্রোগ্রামের কিছু লিমিটেসন আছে।
  • আপনাকে সব সময় সুইচ চেপে ধরে রাখতে হবে। সুইচ ছেড়ে দিলে ফ্যান চলা বন্ধ হয়ে যাবে। (পুশ সুইচ ব্যাবহার করার কারনে)
  • কোন কারনে ফ্যান গরম হলে বা কথাও আগুন ধরলে তা বন্ধ করা সমস্যা হবে। 



আপনি ল্যাডার প্রগ্রামিং টি উপরের চিত্রের মত করে তৈরি করতে পারেন। যখন আপনি I2 সুইচ অন করেন রাখেন তাহলে Q1 কন্টাক্ট পাবে। আবার I2 প্রেস করলে Q1 এর কন্টাক্ট বা সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ I2 এখানে ইমারজেন্সি সুইচ হিসাবে কাজ করান হয়েছে। 

এই প্রোগ্রামের একটি সমস্যা আছে তা হোল, আপনার ব্যাবহিত সুইচ গুল যদি পুশ বাটন টাইপ হয়ে থাকে তাহলে Q1 কে চালু রাখার জন্য বাটন চেপে ধরে রাখতে হবে। বাটন ছেড়ে দিলেই আপনার সার্কিট টি বন্ধ হয়ে যাবে। 

এই অসুবিধা দূর করার জন্য পি এল সি এর ল্যাডার লিজিক প্রগ্রামিং এ ল্যাচিং ব্যাবহার করা হয়। নিচের ছবি থেকে পার্থক্য খুজে বের করুন।      




দেখতে পাচ্ছেন Q1 নামের একটি অতিরিক্ত ওপেন কন্টাক ব্যাবহার করা হয়েছে। একে ল্যাচিং বলে।
প্রোগ্রাম এর বিস্তারিতঃ
আপনার বেড রুমের ফ্যান পি এল সি দিয়ে কন্ট্রল করার জন্য I1, I2 নামের দুইটি সুইচ ব্যাবহার করা হয়েছে। I2 এখানে ইমারজেন্সি সুইচ। আপনি যখন I1 প্রেস করবেন তখন অউটপুট Q1 কন্টাক পাবে। Q1 কন্টাক পাওয়ার সাথে সাথে ল্যাচিং করা ওপেন কন্টাক এর Q1 টি ক্লোজ কন্টাক হবে যার ফরলে Q1 কখনই বন্ধ হবে না। যদি I2 কে প্রেস করা হয় তাহলেই একমাত্র বন্দ হবে।   

পি এল সি প্রোগ্রামিং ৩

ল্যাডার লজিক (Ladder logic) প্রোগ্রামিংঃ 
LOGO!Soft Comfort নামের সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। 

পাশের ব্লকে দেখান "Make Contact" নামক টুলস এ ক্লিক করে "I1" সিলেক্ট করে ওয়ার্কিং এরিয়া তে রাখতে মাউসের বাম বাটনে ক্লিক করুন। একই পদ্ধতিতে "Relay coil" এ ক্লিক করে ওয়ার্কিং এরিয়াতে রাখুন "Q1" হিসাবে। 
আপনার প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে গেছে।
প্রোগ্রামের অউটপুট বা রেজান্ট দেখার জন্য Tools এ গিয়ে Simulator এ ক্লিক করুন। অথবা কী বোর্ড থেকে F3 চাপুন। 
সাধারন অবস্থায় আপনার সিমুলেটর সফটওয়্যারের নিচের দিকে চিত্রের মত দেখতে পাবেন। 
   এখানে I1 কে ইনপুট বা সুইচ হিসাবে দেখাচ্ছে এবং Q1 কে অউটপুট হিসাবে দেখাচ্ছে। 
আপনি যখন I1 এর উপর মাউস দিয়ে ক্লিক করবেন Q1 জলে উঠবে। I1 এর উপর আবার ক্লিক করলে দেখবেন Q1 বন্ধ হয়ে গেছে। নিচে ছবি আকারে দেয়া হোল। 
 অর্থার আপনি যে প্রোগ্রামটি তৈরি করলেন তার বিস্তারিত বর্ণনা করলে বিসয়টি হবে ।
পি এল সি এর একটা ইনপুট ও একটা অউটপুট ব্যাবহার করব। ইনপুট হিসাবে I1 এবং অউটপুট হিসাবে Q1 ব্যাবহার করা হবে। যখনি I1 কে প্রেস করবেন তখন Q1 এ সংজুক্ত বাতি বা মটর যাই থাকুক পাওয়ার পাবে এবং কাজ করবে। আবার I1 প্রেস করলে Q1 এ সংজুক্ত থাকা ডিভাইস টি বন্ধ হয়ে যাবে। 




পি এল সি (PLC) টিউটোরিয়াল ২

ল্যাডার লজিক (Ladder Logic):
আমি অটোমেশন জগতে অনেকের সাথে কথা বলেছি। তাদের সফলতার সুরু বা শিক্ষার উপকরন সম্পরকে। অধিকাংস লোকই বলেছেন তারা তাদের লাইফ সুরু করেছে সিমেন্স লোগো পিএলসি দিয়ে। এবং LOGO!Soft Comfort নামের এই সফটওয়্যার দিয়েই অনেক বাঘা-বাঘা প্রোগ্রামারের হাতে খড়ি হয়েছে। এর মুল কারন এই পিএলসি টির দাম কম এবং সহজ লভ্য। আপনি চাইলে আপনার নিকটস্থ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে কিনে নিতে পারেন।

আমরা মুল আলোচলায় ফিরে এসেছি। ল্যাডার লজিক দিয়ে প্রোগ্রাম করার জন্য দুইটি সিম্বল ব্যাবরিত হয়।

১। নরমালি ওপেন কন্টাক্ট/ ওপেন কন্টাক্ট

২। নরমালি ক্লোজ কন্টাক্ট/ ক্লোজ কন্টাক্ট







সিমেন্সে ওয়েব সাইট থেকে LOGO!Soft Comfort নামের এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে, আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন। এবার সাধারন অন্য সব প্রোগ্রাম এর মত করে ওপেন করুন Start=>Program=>LOGO!Soft Comfort এ ক্লিক করুন। নিচের মত একটি পেজ ওপেন হবে।


এবার ফাইল নিউ থেকে Ladder Diagram (LAD) এ ক্লিক করুন। চিত্রে দেখান হয়েছে


  
নিচের মত একটি পেজ ওপেন হবে। 



এখন সুরু হোল আপনার পি এল সি সেখার পালা। আপনাকে অভিনন্দন। মনে রাখবেন, এই লাইনে সবাই প্রফেশনাল। সহজ কাজ কে আপনার সামনে এমন ভাবে উপস্থাপন করবে যে, আপনি ভয় পেয়ে যাবেন। অথবা কিছু দিন চেষ্টা করে মাথা-মুন্ডু কিছুই না বুঝতে পেরে প্রফেশনাল সের কাছে যাবেন টাকা দিয়ে সামান্য কিছু সেখার জন্য। টাকা দিয়ে শিখতে গেলে দেখবেন নতুন ধরেনের আরেক সমস্যা। 
ভয় পাওয়ার কিছু নেই এগুলো সব মানব সৃষ্ট সমস্যা। সময় নিয়ে চেষ্টা করুন আশা করি কিছু শিখতে পারবেন ওয়েব থেকেই। 
ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য..................     




পি এল সি টিউটোরিয়াল ১

প্রোগ্রামাবল লজিক কন্ট্রোলার এর সংক্ষিপ্ত নাম হল পিএলসি (PLC)। পিএলসি একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বেসড ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস । যার মাধ্যমে যেকোন ধরেনের যন্ত্র কে স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড করা যায়। একে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর বিকল্প হিসাবেও ব্যাবহার করা যায়।
বাজারে বিভিন্ন্ ধরনের ও ব্যান্ডের পি এল সি পাওয়া যায়। সিমেন্স, অম্রন, মিতসুবিশি এদের মধ্যে অন্যতম বা আমাদের দেশে বহুল ব্যাবরিত।
পিএল সি রাসায়নিক শিল্পকারখানা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট, হোম অটোমেশন, অটোম্যাটেড শিল্পকারখানাতে ব্যবহার করা হয়। 




পি এল সি এর গঠনঃ
আপনি হয়তো এরই মধ্যে জেনে গেছেন পি এল সি একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বেইসড ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস। সুতরাং মাইক্রোকন্ট্রোলার এর মত এর মধ্যে যে অংশ গুলো থাকে তা হল।
১। ইনপুট বা আউটপুট ইউনিট
২। সেন্ট্রাল প্রসেসসিং ইউনিট (CPU)
৩। পাওয়ার সুপ্লাই ইউনিট

আপনার হাতের মোবাইল বা স্মারটফোন সেখানও এই টিনটা অংশ আছে । তাই নতুন করে আলোচনায় গিয়ে অযথা সময় নষ্ট করার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
সব সময় মনে রাখবেন "প্রথমে প্রাক্টিক্যাল পরে থিওরি" আমরা যদি প্রথমে বিশাল বিশাল থিওরি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করি অনেক ভয় পেয়ে যেতে পারেন। মনে হতে পারে "পি এল সি" আসলে অনেক কঠিন। এটা একেবারেই ভুল ধারনা  "পি এল সি" বিসয়টি অনেক সহজ জিনিস। আমরা ধিরে ধিরে শিখবো। কঠিন বা থিওরি বিসয় গুলি পরে আলোচনা করব এবং শিখব। পিএলসি কে কঠিন করে আপনার সামনে উপস্থাপন না করলে অনেক ধান্দাবাজ দের ইঙ্কামের রাস্তা বন্দ হয়ে যাবে। তাই তারা সহজ জিনিস কে কঠিন করে দেখায়। আসলে তা মোটেও ঠিক নয়।   

আসল কথায় আসা যাক। মনে রাখবেন "পি এল সি" এর দুইটা পার্ট আছে।
১। হার্ডওয়্যার - এখানে আপনার করনীয় বা শিক্ষনিও হল, এটি কিছু ইলেক্ট্রনিক্স পার্টস এর সম্পন্নয়ে গঠিত। উক্ত পার্টস কোন কারনে নষ্ট হয়ে "পিএলসি" কাজ না চাইলে আপনি এই অংশটি রিপিয়ারিং করতে পারবেন।
২। সফটওয়্যার- আমরা একে প্রোগ্রামিং বলে থাকি। পি এল সি কে প্রোগ্রামিং করার এক ধরনে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যাবহার করা হয়। একেক কোম্পানির পিএলসি এর জন্য একেক ধরনের সফটওয়্যার থাকে। সফটওয়্যার একাধিক হলেও, আমরা প্রোগ্রামিং জন্য "ল্যাডার লজিক" ব্যাবহার করে থাকি।
সুতারাং আপনি বুঝে গেছেন আমাদেরকে "ল্যাডার লজিক" ভাল ভাবে শিখতে হবে। আপনি যদি ল্যাডার লজিক এর মাধ্যমে প্রোগ্রাম তইরি করতে পারেন তাহলে আপনার তৈরিকৃত প্রোগ্রাম যে কোন পিএলসি তে ব্যাবহার করা যাবে সামান্য কিছু পরিবত্তন করে। সুতারাং যেকোনো একটিকে ভাল ভাবে আয়েত্ত করাই হোল আপনার কাজ। দেরি নয় চলুন আমরা "ল্যাডার লজিক" এর ব্যাবহার শিখতে সুরু করি।