Friday, October 2, 2015

পি এল সি (PLC) টিউটোরিয়াল ৫

ল্যাডার প্রোগ্রামিং (Ladder Programming) টাইমারঃ
টাইমার ইলেকট্রনিক্স জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইলেকট্রনিক্স সার্কিট, মাইক্রোকন্ট্রোলার, পিএলসি সব জায়গাতেই টাইমারের ব্যাবহার। সময় গননা করা বা প্রোগ্রামিং এর মাদ্ধমে টাইম কাউন্ট করাকে টাইমার বলে।
লোগো পিএলসি তে বিভিন্ন ধরনের টাইমার ব্যাবহার করা হয়। অন-ডিলে টাইমার, অফ-ডিলে টাইমার, ইয়ারলি টাইমার, উইক্লি টাইমার, ইত্যাদি। আমরা ধাপে ধাপে সব গুল টাইমারের ব্যাবহার শিখবো।
আমরা তাহলে টাইমার দিয়ে কাজ সুরু করি, আমরা একটি লাইট জালাতে চাই ১০ মিনিট পর্যন্ত। অর্থার আমাদের প্রোগ্রামে I1, I2, নামে দুইটা সুইচ থাকে। Q1 নামে একটা অউটপুট থাকবে।
যখন I1 কে প্রেস করব Q1 জলে উঠবে। ১০ সেকেন্ড পরে অটোমেটিক্যালি Q1 এর পাওয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। আসুন সুরু করা যাক। 
উপরে পিএলসি এর ওয়ারিং ডায়াগ্রাম সহ ল্যাডার লজিক প্রোগ্রামিং দেয়া হোল। এখানে I1, I2 কে সুইচ হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে। I1 নরমাল অন/অফ সুইচ, I2 ইমারজেন্সি সুইচ এবং Q1 অউটপুট। 

পরের লাইনে Q1 কে কল করা হয়েছে টাইমারের সাথে কাজ করার জন্য। 
I1 প্রেস করার সাথে সাথে Q1 কন্টাক পাবে। সাথে সাথে Q1 নামের যত গুলি কন্টাক আছে সব গুলি অন হবে। সুতরাং T001 টাইম কাউন্ট করা সুরু করবে ১০ সেকেন্ট পরে T001 অন হবে। কারন, এটি অন-ডিলে টাইমার। T001 টাইমার অন হওয়ার সাথে সাথে প্রথম লাইনে থাকে T001 নামের ক্লোস কন্টাকটি ওপেন-কন্টাক হয়ে যাবে সাথে সাথে Q1 এ ভোল্টেজ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। 
I2 যেহেতু ইমারজেন্সি সুইচ তাই কোন রকম দুর্ঘটনা বা প্রয়োজনীয় মুহূর্তে এই সুইচ এর মাধ্যমে পিএলসি (PLC) কে বন্ধ করা যাবে।    
উপরের ল্যাডার কজিক ভাল ভাবে বোঝার জন্য নিচের ছবিতে বর্ণনা দেয়া হোল। 


আশা করি এই পর্যন্ত বুঝতে কোন সমস্যা হবে না। কথাও বুঝতে অসুবিধা হলে প্রশ্ন করতে ভুলবেন না। 
ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।   

2 comments:

  1. আমরা যখন সিমুলেট করব তখন I1 এবং I2 কে রাইট ক্লিক করলে একটা ডায়লগ বক্স আসে। সেখানে লেখা থাকে momentary button push make. সেই খানে আমাদের কোন কাজ আছে কি?

    ReplyDelete
    Replies
    1. momentary button push (make) আমার সাধারণত এই সুইচ টি সিলেক্ট করব।

      Delete